নিজের শেষ সময়টায় টেস্ট ক্রিকেট থেকে কিছু সঙ্গে নিয়ে যেতে চান মুশফিক
নিজের শেষ সময়টায় টেস্ট ক্রিকেট থেকে কিছু সঙ্গে নিয়ে যেতে চান মুশফিক
editor
প্রকাশিত আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
ক্রীড়া প্রতিবেদক:
Manual8 Ad Code
দুই দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে মুশফিকুর রহিমের পথচলা। সাদা বলের ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও লাল বলে এখনো দলের অন্যতম ভরসা তিনি। দেশের হয়ে একের পর এক স্মরণীয় টেস্ট জয়ের সাক্ষী হওয়া মুশফিক এবারও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক সাফল্যের অংশ।
Manual2 Ad Code
ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারানোর পর বাংলাদেশ দলের ড্রেসিংরুমে ছিল উৎসবের আমেজ। সেই আনন্দের মুহূর্তে সতীর্থদের সঙ্গে নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন দলের সবচেয়ে সিনিয়র এই ক্রিকেটার। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্যও সতীর্থদের সতর্ক করে দেন তিনি।
Manual7 Ad Code
বাংলাদেশের লাল বলের ক্রিকেটে নিজের শেষ সময়টাকে স্মরণীয় করে রাখার ইচ্ছার কথা জানিয়ে মুশফিক বলেন, ‘বাংলাদেশের লাল বলের দলের এই পথচলা থেকে যদি কিছু সঙ্গে নিয়ে যেতে পারি, সেটাই আমার জন্য অনেক বড় স্মৃতি।’
তবে একটি জয়েই থেমে থাকার পক্ষে নন মুশফিক। সাফল্য ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এর আগেও বড় ম্যাচ জিতেছি। কিন্তু সাফল্য ধরে রাখা এবং নিয়মিত এমন পারফরম্যান্স করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। উন্নতির কোনো শেষ নেই সীমা আসলে, আকাশ পর্যন্ত। তাই এই জয় উদযাপন করো, আনন্দ করো; কিন্তু এরপরই ভাবতে হবে, কীভাবে আবারও এমন পারফরম্যান্স করা যায়।’
টেস্ট ক্রিকেটে সাফল্যের জন্য কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই বলেও সতীর্থদের মনে করিয়ে দিয়েছেন মুশফিক। তার ভাষায়, ‘এর জন্য কোনো শর্টকাট নেই। পরিশ্রম করতেই হবে, প্রতিদিন একইভাবে লেগে থাকতে হবে। টেস্ট ক্রিকেটে সাড়ে তিন থেকে চার দিন মাঠের ভেতরে-বাইরে যে কঠিন পরিশ্রম করতে হয়, তার অনুভূতি তোমরা এখন বুঝতে পারছো। টেস্ট ক্রিকেট এমনই। জয়-পরাজয়ের বাইরে প্রতিদিনের কাজের ধরন এবং মানসিকতাই আসল। তোমাদের মনোযোগ থাকতে হবে প্রক্রিয়ার ওপর। প্রক্রিয়া ঠিক থাকলে ফলাফল একসময় নিজে থেকেই আসবে।’
মুশফিকের কথায় উঠে আসে ২০২২ সালে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের প্রসঙ্গও।
Manual6 Ad Code
সেই ম্যাচের পরিকল্পনা কীভাবে করা হয়েছিল, সেটি সতীর্থদের সামনে তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মুমিনুলকে নিয়ে একটা বিষয় বলতে চাই। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের সেই বড় জয়ের সময় আমাদের পরিকল্পনা ছিল খুব সহজ- প্রতিটি সেশন জিততে হবে। পুরো ম্যাচটাকে আমরা যেন একটা ওয়ানডে ম্যাচের মতো ছোট ছোট অংশে ভাগ করে নিয়েছিলাম। একটি দিনে তিনটি সেশনের মধ্যে অন্তত দুটি, সম্ভব হলে তিনটিই নিজেদের করে নেওয়ার লক্ষ্য ছিল।’