নিজস্ব প্রতিবেদক :
হযরত শাহাজালালের (র.) মাজারের দানবাক্স ও ডেকচিতে দেওয়া ভক্তদের দানের টাকা গণনা চলছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, মাজার ব্যবস্থাপনায় গঠিত কমিটির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উপস্থিতে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
এ সময় সিলেটের জেলা প্রশাসক বলেন, আপাতত মাসে একবার গণনা করা হবে। এরপর ম্যানেরজার নিয়োগ দেওয়া হবে।একজন কম্পিউটার অপারেটরও নিয়োগ হবে। তখন প্রতিদিন গণনার কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।
জানা গেছে, বরাবরের মতো এবারও মাজারের বিভিন্ন দানবাক্স ও ডেকচিগুলোতে দেশী টাকার পাশাপাশি বিদেশী মুদ্রাও পাওয়া গেছে। সেই সাথে পাওয়া গেছে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংবলিত চিঠি।
Manual1 Ad Code
মাজারের আর্থিক ব্যবস্থা স্বচ্ছতা নিশ্চিতে গঠিত কমিটির গত ২৩ সেপ্টেম্বরের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, মাজারের টাকার ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নে এবং বাকী ৬৫ শতাংশ অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের কাজে ব্যবহৃত হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেছিলেন কমিটির সভাপতি বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
Manual6 Ad Code
এরআগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থ দফার গননায় মাজারের তিনটি ডেগ ও পাঁচটি দানবাক্স খুলে ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯ শত ৬৬ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।
Manual3 Ad Code
এছাড়াও পাওয়া যায় ১ ভরি ৯ আনা ২ রতি স্বর্ণ এবং ১৫টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা।