বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ: ‘নো বোট, নো ভোট’; প্রচারণা কাজে লাগেনি আওয়ামীলীগের
বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ: ‘নো বোট, নো ভোট’; প্রচারণা কাজে লাগেনি আওয়ামীলীগের
editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
Manual5 Ad Code
Manual2 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
‘নো বোট, নো ভোট’; অর্থাৎ নৌকা নেই, ভোটও নয়—এবারের নির্বাচনে এটাই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অবস্থান। ভোট ঠেকানোর কোনো পরিকল্পনা দলটির নেই। তবে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার আহ্বান সত্ত্বেও কর্মী-সমর্থকদের একটা অংশ ভোট দিতে গেছেন। মামলা, ভয়ভীতি এবং নানা প্রলোভনের কারণে এটা স্বাভাবিক হিসেবেই ধরে নিচ্ছে আওয়ামী লীগ।
Manual6 Ad Code
আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অসংখ্য নেতা-কর্মীর নামে মামলা, গ্রেপ্তার এবং জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধার কারণে কঠিন সময় পার করছে আওয়ামী লীগ। নেতাদের একটি অংশ মনে করছে, নতুন সরকার এলে হয়তো অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। এই বিবেচনা থেকে এবং সম্ভাব্য সরকার দলের সাথে সুসম্পর্ক গড়তে অনেকেই ভোটকেন্দ্রমুখি হয়েছেন। তাছাড়া দেশ-বিদেশে পলাতক থাকা নেতাদের উপর বেজায় নাখোশ তৃণমুলের কর্মীরা। তাদের কেউ কেউ আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়কে বকাঝকা করছেন।
Manual6 Ad Code
আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের যাত্রা শুরু হয় ৮ আগস্ট থেকে। এরপর ১২ মে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। তখন থেকে দলটি প্রকাশ্যে কর্মসূচি পালন করতে না পারলেও বিভিন্ন সময় বিচ্ছিন্ন ও গোপন তৎপরতা দেখা গেছে। এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনার পর পলাতক সুবিধা নেয়া নেতারা কেউ তৃণমুলের বিপদগ্রস্ত কর্মীদের খবর নেয়নি।
গত কয়েক দিনে আওয়ামী লীগের সুবিধা নেয়া পলাতক নেতারা বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জের নির্বাচনী এলাকার মানুষদের সঙ্গে ভিডিও কলে, বার্তা পাঠিয়ে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ফেসবুকে দলটির নেতা-কর্মীরা ‘নো বোট, নো ভোট’ লেখা ফটোকার্ড ছেড়েছেন। কিন্তু আশানুরুপ সাড়া মিলেনি।
সূত্র জানায়, আওয়ামীলীগ সমর্থক একাধিক চেয়ারম্যান, দলীয় কার্যকরী কমিটিতে থাকা অনেক নেতা ভোটের মাঠে প্রচারণা চালিয়েছেন। কেউ কেউ টাকা পয়সাও নিয়েছেন।
Manual7 Ad Code
বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, আওয়ামীলীগ সমর্থকদের মধ্যে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণি দলের লোকজন ভোট দিতে গেছেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাররাও ভোট দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ নেতাদের ধারণা, সমর্থকদের মধ্যে যাঁরা ভোট দিতে যাবেন, তাঁরা গণভোটে ‘না’–এর পক্ষে রায় দেবেন। আবার বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে বিকল্প প্রার্থী বা স্বতন্ত্র ও সংখ্যালঘু প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের ভোট বেশি পেতে পারেন।