বিয়ানীবাজারেও তাপপ্রবাহের আঁচ লেগেছে। গরমে অস্থির মানুষ। একটু হাঁটাহাঁটি বা কাজ করলেই হাঁপিয়ে উঠছে। এমন অবস্থায় সিলেট বিভাগের এই উপজেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। অতি ভারী বৃষ্টির ফলে বিয়ানীবাজারসহ এতদঞ্চলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কাও করা হয়েছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, বিয়ানীবাজারে বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুমে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদামতো ডিজেল না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার মেশিনের মালিকরা। তেলের সংকটের অজুহাতে বিঘাপ্রতি ধান কাটার খরচ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন হারভেস্টার মালিকরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বিয়ানীবাজারে ৫৯৬০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হাওরে ৪৬ ভাগ ও ননহাওরে ২২ ভাগ ধান কাটা হয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির আশঙ্কায় দ্রুত ফসল ঘরে তুলতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন চাষিরা।
Manual7 Ad Code
স্থানীয় কৃষক জহিরুল বলেন, “আকাশের অবস্থা ভালো না, প্রতিনিয়ত বৃষ্টি হচ্ছে। পানিও বাড়তেছে, যেকোনো সময় ঢল নামতে পারে। মেশিনে দ্রুত ধান কাটতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মালিকরা বলছে তেল নেই। ২৫০০ টাকা কিয়ার (৩৩ শতাংশ) চায় হারভেস্টার মেশিনের মালিকরা। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।”
Manual6 Ad Code
Manual6 Ad Code
বিয়ানীবাজার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান বলেন, ২৮ এপ্রিলের মধ্যে কৃষকদের ধান কাটার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও তেল সংকট যাতে না হয় সেজন্য কৃষকদের প্রত্যয়নপত্র প্রদান করেছি। ধান কাটা নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং হারভেস্টারগুলো সচল থাকবে।