প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২রা মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ইটালী যাত্রা ইস্যু: বিয়ানীবাজারে দেলওয়ার-পাওনাদার পাল্টাপাল্টি মামলা

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
ইটালী যাত্রা ইস্যু: বিয়ানীবাজারে দেলওয়ার-পাওনাদার পাল্টাপাল্টি মামলা

Manual4 Ad Code

 

 

Manual1 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

বিয়ানীবাজার থেকে ইটালী যেতে ইচ্ছুক শতাধিক ভূক্তভোগীর মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আত্মগোপনে থাকা আদম ব্যবসায়ীর পক্ষে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আবার পাওনাদারদের পক্ষে এক ব্যক্তি পৃথক আরেকটি মামলা দায়ের করেছেন। পাল্টাপাল্টি মামলার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ। বিষয়টি এখন উপজেলার সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা।

জানা যায়, গত ২০ এপ্রিল সিলেটের জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ১ম ও দ্রæত বিচার আদালতে আদম ব্যবসায়ী দেলওয়ার হোসেনের স্ত্রী নাদিয়া আক্তার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এতে মাথিউরা খলাগ্রামের রহিম উদ্দিনের ছেলে শিপলু আহমদ (৪০), আলম আহমদ (৩৫) ও ইমন আহমদ (৩০), কান্দিগ্রামের রফিক উদ্দিনের ছেলে সাহেদ আহমদ (২৫), খলাগ্রামের মরম উদ্দিনের ছেলে আমজাদ হোসেন (৩০), গোলাপগঞ্জের বাগলা গ্রামের কবির আহমদ পিরেরচক গ্রামের সাইব উদ্দিনের ছেলে ইকবাল আহমদ (৪০) সহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনকে আসামী করা হয়। মামলার এজাহারে গত ১৭ এপ্রিল আসামীগণ কর্তৃক বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে শক্তি প্রদর্শন পরবর্তী ধনসম্পত্তি লুটপাট করার চেষ্টা, সিসি ক্যামেরা ভাংচুর, মব সৃষ্টি করে হত্যার চেষ্টা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বিয়ানীবাজার থানার এসআই আক্তারুজ্জামান এটি তদন্ত করছেন।

Manual2 Ad Code

অপরদিকে গত ২৪ এপ্রিল পাওনাদারদের পক্ষে মাথিউরার দুধবকশি গ্রামের বাহা উদ্দিনের ছেলে আজিম উদ্দিন বিয়ানীবাজার থানায় একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেন। এতে জলঢুপ পাড়িয়াবহর গ্রামের সফাত আলীর ছেলে দেলওয়ার হোসেন (৪৫), আরকান আলীর ছেলে সফাত আলী (৬০), সফাত আলীর ছেলে ইকবাল হোসেন (৩৭), তারেক হোসেন (৩০), তাহের হোসেন (২৭), কাওসার আহমদ (৩০) কে আসামী করা হয়েছে। অপরাধমুলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে বাদীর ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এই মামলা দায়ের করা হয়। বিয়ানীবাজার থানার এসআই রফিকুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করছেন।

Manual7 Ad Code

 

ভূক্তভোগীরা জানান, আদম ব্যবসায়ী কাওছার হোসেন ইটালীতে বসবাস করেন। সে সুযোগ নিয়ে তিনি প্রথমদিকে ১০-১২জন লোককে কৃষি ভিসায় ইটালী নিয়ে যান। এমন খবর সর্বত্র জানাজানি হলে ইউরোপগামী মানুষের লাইন পড়ে কাওছারের বাড়িতে। একপর্যায়ে জনপ্রতি ১৪-১৫ লক্ষ টাকা নির্ধারণ করে ইটালী যেতে রাজি হন স্থানীয়রা। এদের মধ্যে কেউ নির্ধারিত টাকার পুরোটা আবার কেউ আংশিক কাওছারের দেশে থাকা ভাই দেলোওয়ার হোসেনের কাছে তুলে দেন। যার পরিমাণ ১০ কোটি টাকার উপরে হবে বলে জানান তারা। অপরদিকে প্রায় ৪-৫ বছর ধরে ইটালী যেতে না পারা লোকজন টাকার জন্য চাপ দেন দেলোওয়ার-কাওছারকে। উপায় না পেয়ে কাওছার ইটালী থেকে অন্যত্র গিয়ে আত্মগোপন করেন। আর দেলোওয়ার হয়ে যান লাপাত্তা। এমন অবস্থায় ১৭ এপ্রিল ভ‚ক্তভোগীরা অভিযুক্তদের বাড়ি ঘেরাও করেন। মধ্যরাতে প্রশাসন গিয়ে তাদের ফিরিয়ে নিয়ে আসে।

 

দেলওয়ার-কাওছারের পিতা সফাত আলী অজ্ঞাতস্থান থেকে টেলিফোনে জানান, ইটালী দূতাবাস বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা প্রদান বন্ধ করে দেয়ায় আমার ছেলেরা বিপাকে পড়েছে।

 

Manual7 Ad Code

বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ওমর ফারুক বলেন, সার্বিক দিক বিবেচনায় নিয়ে আমরা মামলা দু’টি তদন্ত করছি। বিশেষ করে দেলওয়ারকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০  

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code