প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৫শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বিয়ানীবাজারে চোরাই জিরার ‘জোয়ার’: জড়িত কাস্টমসের অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী

editor
প্রকাশিত মে ১৭, ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ণ
বিয়ানীবাজারে চোরাই জিরার ‘জোয়ার’: জড়িত কাস্টমসের অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী

Manual6 Ad Code

 

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual2 Ad Code

ভারতে এক কেজি জিরার মূল্য ৩৪৮ টাকা। বাংলাদেশে এই জিরার মূল্য প্রায় দ্বিগুণ। ৬০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিয়ানীবাজার উপজেলার উপর দিয়ে প্রায় প্রতিদিনই নির্ধারিত গন্তব্যে যাচ্ছে জিরার চালান।

তবে পুলিশ ও বিজিবির চোরাচালানবিরোধী অভিযানে প্রায়ই ধরা পড়ছে ভারতীয় চোরাই জিরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মালিকবিহীন অবস্থায় চোরাই জিরার চালান ধরলেও চোরাচালানি থামছে না।

 

আমদানির তথ্য অনুযায়ী, দেশে সবচেয়ে বেশি জিরা আমদানি হয় ভারত থেকে। প্রতিবছর দেশের মোট চাহিদার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ জিরা ভারত থেকে আমদানি করা হয়।

এর মধ্যে একটি ঘটনা কৌতূহল ছড়িয়েছে। অসৎ কাস্টমস কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জিরার চালান আমদানীতে এমন কাগজপত্র তৈরী করে যা দেখে বোঝার উপায় থাকেনা এগুলো সঠিক না জাল। একটি আমদানী আদেশের উপর ভিত্তি করে তারা একাধিক কাগজ তৈরী করে। যা দিয়ে দেদারছে চলছে অবৈধ জিরার রমরমা ব্যবসা। একটি সূত্র জানায়, জিরার গাড়ি ধরলেই সংশ্লিষ্টরা কাস্টমসের কাগজ প্রদর্শন করে। এতে জিরার কোন চালান বৈধ আর কোনটি অবৈধ, তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে।

Manual2 Ad Code

চোরাই জিরার মালিক অধরা থাকার পাশাপাশি ভারত-বাংলাদেশে দামের তারতম্যে জিরার চোরাচালানির ‘জোয়ার’ থামছে না বলে জানিয়েছে বিজিবি সূত্র।

Manual4 Ad Code

এদিকে বিয়ানীবাজার এলাকায় নিয়মিত ধরা পড়ছে জিরার চালান। বিজিবি ও পুলিশ সমানতালে অবৈধ জিরা আটক করছে।

বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ওমর ফারুক বলেন, অবৈধ মালামাল পরিবহনের খবর পেলেই আমরা অভিযান চালাই। নিয়মিত আমাদের এ অভিযান চলছে। বিগত সময়েও আমরা প্রচুর পরিমান জিরা আটক করেছি।

Manual1 Ad Code

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code