২০ অক্টোবর জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
২০ অক্টোবর জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
আগামী ২০ অক্টোবর চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার এই সফর ঘিরে প্রশাসনের পাশাপাশি বিএনপির পক্ষ থেকেও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
Manual7 Ad Code
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সফরটি সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।
Manual3 Ad Code
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর চূড়ান্ত হয়েছে। সফর সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
Manual2 Ad Code
সফর সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বিকাল ৫টায় ৩০ মিনিটে শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামে উপস্থিতি এবং ডে এম সেন হল রহমতগঞ্জ পূজামন্ডপের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেবেন।সন্ধ্যা ৬টায় জে এম সেন হল রহমতগঞ্জ পুজামগুণে উপস্থিতি ও পরিদর্শন করে ৬টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে উপস্থিতি ও বিরতি নিবেন।এরপর তিনি ৭টা ৪৫ নিমিটে শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। এর আগে তিনি রংপুর ও রাজশাহী সফরে যাবেন।
শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় করতে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসছেন। নিঃসন্দেহে এটি চট্টগ্রামের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি রেইনবো নেশন গড়ে তুলতে চান। তারই অংশ হিসেবে এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে চট্টগ্রামসহ দেশের সব সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষ খুবই খুশি।
Manual3 Ad Code
নগরের রহমতগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত যাত্রীমোহন সেনগুপ্ত (জেএম সেন) হল প্রাঙ্গণ চট্টগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। প্রতিবছর এখানে কেন্দ্রীয়ভাবে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আয়োজনও থাকে। ফলে পূজামণ্ডপটি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনস্থলে পরিণত হয়।
১৯২০ সালে দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত তার পিতা যাত্রীমোহন সেনগুপ্তের স্মরণে জেএম সেন হল প্রতিষ্ঠা করেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ঐতিহাসিক এই স্থানের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।