প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১লা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

লড়াইয়ে মরিয়া ইরান

editor
প্রকাশিত মার্চ ৩, ২০২৬, ০৯:২০ পূর্বাহ্ণ
লড়াইয়ে মরিয়া ইরান

Manual3 Ad Code

 

প্রজন্ম ডেস্ক:

Manual3 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুগপৎ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে দেশটির পাল্টা হামলায় পুরো টালমাটাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। সংকটের তৃতীয় দিন গতকাল সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান তার সঙ্গে আলোচনা করতে চায়। এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করে তেহরান থেকে উল্টো প্রতিরোধের বার্তা দেওয়া হয়েছে।

Manual1 Ad Code

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানি পরিষ্কার বলেছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার কোনো উদ্যোগ তার দেশ নিচ্ছে না।

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এমন বাগ্বিতন্ডার মধ্যে চলমান গতকাল ইসরায়েলের তেল আবিবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় ও হাইফা বন্দরে দেশটির নিরাপত্তা ও সামরিক বাহিনীর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। কাতার, বাহরাইন ও দুবাইয়ে গতকাল নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইরান। সাইপ্রাসে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা হয়েছে।

খামেনি নিহত হওয়ার পর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে চালানো ইরানের টানা মরিয়া এমন হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, অঞ্চলটির বাইরেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

ইরানকে শুরুতে একা মনে হলেও বৈশ্বিক রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক ও সামরিক প্রতিযোগিতায় মার্কিনিদের অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী চীন ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা গতকাল দিয়েছে। ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় তেহরানের প্রতি জোরালো সমর্থন ব্যক্ত করেছে চীন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে ফোন করে বেইজিংয়ের অবস্থান পরিষ্কার করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের তীব্র সমালোচনা করে বেইজিং একে ‘জঙ্গলের আইন’-এর সঙ্গে তুলনা করেছে।

Manual3 Ad Code

গত বছর জুনের সংঘাতে পর মাত্র আট মাসের ব্যবধানে ইরান আবারও পশ্চিমা শক্তি এবং মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে। যদিও সেবারের হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ধ্বংস। আর এবার লক্ষ্য দেশটির ৪৭ বছরের ইসলামি শাসনতন্ত্রের অবসান। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিসহ অন্তত ৪০ শীর্ষ কর্মকর্তার মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

ইরানে শনিবার থেকে শুরু হওয়া বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। গতকাল ইরানের রেড ক্রিসেন্টের বরাত দিয়ে দেশটির বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, কুয়েতের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘ভুলবশত’ যুদ্ধবিমানগুলো ভূপাতিত করেছে।

ওয়াশিংটনের সঙ্গে আবারও আলোচনা শুরুর জন্য তেহরান প্রস্তাব দিয়েছে ট্রাম্পের এমন দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি। গতকাল তিনি স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান কোনো আলোচনায় বসবে না। এক এক্স পোস্টে লারিজানি ট্রাম্পের ইরানবিষয়ক মন্তব্যেরও জবাব দেন। তিনি ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, শূন্য বিভ্রম দিয়ে তিনি অঞ্চলটিকে বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দিয়েছেন। লারিজানির ভাষায়, এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের আরও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। নিজের ভ্রান্ত ধারণা দিয়ে তিনি আমেরিকা ফার্স্ট স্লোগানকে ইসরায়েল ফার্স্ট রূপান্তর করেছেন এবং ইসরায়েলের ক্ষমতার লালসার জন্য নিজ সেনাদের উৎসর্গ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, নতুন নতুন মিথ্যার মাধ্যমে সেনাসদস্য ও তাদের পরিবারকে তিনি এর মূল্য দিতে বাধ্য করছেন। এর আগে ট্রাম্প জানান, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব তার প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করতে ইচ্ছুক এবং তিনি সেই আহ্বানে সাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তারা (ইরানের নতুন নেতৃত্ব) কথা বলতে চায় এবং আমি তাতে রাজি হয়েছি। সুতরাং, আমি তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসব। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। মার্কিন বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘাত করছে’। তবে আরও বড় পদক্ষেপ সামনে রয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।

বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিবৃতির বরাত দিয়ে ইরানি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি বলেছে, ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং তাদের বিমান বাহিনীর প্রধান কার্যালয়কে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ওই হামলায় ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। নেতানিয়াহু ও বিমান বাহিনীর প্রধান কার্যালয়ে এ হামলার বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য জানায়নি আইআরজিসি।

Manual7 Ad Code

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিকরা বলেছেন, সোমবার জেরুজালেমের আকাশে একের পর এক নতুন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর আগে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইরান থেকে ছোড়া নতুন ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানায়। এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় রয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি হামলার মুখে কুয়েতের একটি কমব্যাট মিশনে থাকা অবস্থায় তিনটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান এ দুর্ঘটনার শিকার হয়। সেন্ট্রাল কমান্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুয়েতের ওপর ইরানের বিমান বাহিনী, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর সময় এ ঘটনা ঘটে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কুয়েতি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে যুদ্ধবিমানগুলো ভুলবশত ভূপাতিত হয়েছে। বিধ্বস্ত হওয়া বিমানগুলোর ছয়জন ক্রু সদস্যই নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করা হয়েছে এবং বর্তমানে তারা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন।

তবে কাতারের জনগণের ওপর ইরানের ‘ন্যক্কারজনক’ হামলার কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দোহা। সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মজিদ আল-আনসারি বলেছেন, এ হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়ার অধিকার কাতারের রয়েছে এবং ইরানকে এর জন্য ‘চড়া মূল্য দিতে হবে’। সিএনএনের বেকি অ্যান্ডারসনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কাতার বর্তমানে ইরানের সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ রাখছে না। এখন তাদের মূল মনোযোগ দেশের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষা করা। কাতারের এ মুখপাত্র জানান, তার দেশ ইতিমধ্যে ১০০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং অসংখ্য ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। তবে যুদ্ধ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো বলছে, কাতার লক্ষ্য করে অন্তত ৬৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। আল-আনসারির অভিযোগ, ইরানের এ হামলায় সামরিক নিশানার পাশাপাশি বেসামরিক এবং বাণিজ্যিক অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। সৌদি আরবের রাস তানুয়া তেল শোধনাগারে সোমবার ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ড্রোনগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো ওই শোধনাগারটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএতে এক সামরিক মুখপাত্র এ ঘোষণা দেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সরকারি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, ড্রোন হামলার কারণে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। মূলত সাবধানতা অবলম্বন করতেই শোধনাগারটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলার পর ওই এলাকা থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উড়ছে। সামরিক বাহিনী ড্রোনগুলো সফলভাবে প্রতিহত করলেও এর ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়ে আগুন লাগার সম্ভাবনা থাকে এবং ভূমিতে থাকা ব্যক্তিদের আহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।

নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলার অভিযোগ : ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থায় (আইএইএ) নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত রেজা নাজাফি। তবে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত এ কেন্দ্রে হামলার বিষয়ে কোনো স্বীকারোক্তি দেয়নি। এর আগে গত জুনে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধের সময়ও এ স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। রবিবারের এ ঘটনা প্রসঙ্গে রেজা নাজাফি বলেন, তারা আবারও ইরানের শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তাকে ‘ডাহা মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছেন নাজাফি।

খামেনিকে হত্যায় ফেলা হয় ৩০টি বোমা : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কম্পাউন্ড নিশানা করে ৩০টি বোমা ফেলা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়। সংবাদমাধ্যটি বলছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো থেকে ফেলা এসব বোমার আঘাতে কম্পাউন্ডটি জ্বলেপুড়ে যায়। বিধ্বস্ত হয়। বিবিসির প্রতিবেদনেও একই কথা বলা হয়েছে। গত শনিবার সকালে ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এদিন সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলের একটি কম্পাউন্ডে চালানো হামলায় খামেনিসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হন। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য পায়। সিআইএ জানতে পারে, শনিবার সকালে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি কমপ্লেক্সে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক হবে। এ বৈঠকে খামেনিও থাকবেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে হামলা চালায় ইসরায়েল।

কোথাও ক্ষোভের আগুন, কোথাও উদযাপন : ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তান ও ইরাকে বিক্ষোভ রূপ নিয়েছে সহিংসতায়, অন্যদিকে বিশ্বের নানাপ্রান্তে নির্বাসিত অনেক ইরানি সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে উল্লাস প্রকাশ করেছে। পাকিস্তানে গত রবিবারের সহিংসতায় অন্তত ২৩ জনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বন্দরনগরী করাচিতে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে বহির্ভাগের দেয়াল টপকানো বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে নিরাপত্তা রক্ষীদের গুলিতে ১০ জন মারা গেছে; জাতিসংঘের একটি কার্যালয় জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় উত্তরের শহর স্কার্দুদে মারা পড়েছে ১১ জন, দুইজন ইসলামাবাদে। ইরাকে রাজধানী বাগদাদের গ্রিন জোন কূটনৈতিক এলাকার বাইরে জড়ো হওয়া হাজারো ইরানপন্থি বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে কাঁদানে গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ছুড়তে হয়েছে; এই গ্রিন জোনেই যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের অবস্থান। প্যারিসে আবার উল্টো চিত্র; সেখানে উৎফুল্ল হাজারো মানুষ ইরানের বিপ্লব-পূর্ববর্তী রাজতন্ত্রের পতাকা হাতে উৎসব করেছে, কেউ কেউ সেখানে লাল গোলাপ ও বোতল বোতল শ্যাম্পেইনও নিয়ে আসে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৭৮৯১০১১
১১৩৪১৫১৬১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৯৩০৩১  

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code