এই জয়ের ফলে ২১ ম্যাচে ১৬ জয় ও ৩ ড্রয়ে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনাকে হটিয়ে শীর্ষে উঠে এল লস ব্লাঙ্কোসরা। বর্তমানে বার্সেলোনার চেয়ে ২ পয়েন্টে এগিয়ে থাকলেও শিরোপাধারীরা অবশ্য একটি ম্যাচ কম খেলেছে। ম্যাচের দুটি গোলই আসে দ্বিতীয়ার্থের খেলায়। এমবাপে এই মৌসুমে ২০ ম্যাচে ২১ গোল করে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করেছেন।
Manual1 Ad Code
খেলার শুরু থেকেই বল দখলে রিয়াল মাদ্রিদ এগিয়ে থাকলেও ভিয়ারেয়ালের রক্ষণভাগ ভাঙতে তাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। প্রথমার্ধে রিয়াল আটটি শট নিলেও মাত্র দুটি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল। ২০তম মিনিটে আর্দা গিলের এবং সাত মিনিট পর এমবাপের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন ভিয়ারেয়াল গোলরক্ষক লুইস জুনিয়র।
Manual5 Ad Code
অন্যদিকে, ভিয়ারেয়ালও প্রথমার্ধে বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল, যার মধ্যে সেনেগালের তারকা পাপ গেয়ির শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট না হলে স্বাগতিকরা এগিয়ে যেতে পারত। গোলশূন্য প্রথমার্ধ শেষে উভয় দলই আক্রমণাত্মক কৌশলে খেলা শুরু করে।
Manual5 Ad Code
দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটেই ডেডলক ভাঙেন কিলিয়ান এমবাপে। ভিনিসিউস জুনিয়রের দারুণ এক কাট-ব্যাক থেকে পাওয়া বল নিখুঁত কোনাকুনি শটে গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে জড়ান এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। এরপর ভিয়ারেয়াল সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও থিবো কোর্তোয়াকে খুব একটা পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।
ম্যাচের যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপে। তিনি নিজেই বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় রিয়াল, যা অত্যন্ত শীতল মাথায় ‘পানেনকা’ শটে লক্ষ্যভেদ করেন এমবাপে। এই জয়ের ফলে লিগে টানা পঞ্চম জয়ের স্বাদ পেল মাদ্রিদের দলটি।
পয়েন্ট টেবিলের বর্তমান চিত্র অনুযায়ী, ২০ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদ তৃতীয় এবং সমান পয়েন্ট নিয়ে ভিয়ারেয়াল চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে। রিয়াল কোচ আরবেলোয়া দলের এই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, বিশেষ করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মোনাকোকে ৬-১ গোলে বিধ্বস্ত করার পর এই জয় দলের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
Manual3 Ad Code
শিরোপা দৌড়ে বার্সেলোনার সাথে এই ইঁদুর-বেড়াল লড়াই এখন লা লিগার উত্তেজনাকে তুঙ্গে নিয়ে গেছে। আগামী ম্যাচগুলোতে এই অবস্থান ধরে রাখাই এখন রিয়াল মাদ্রিদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।