নিউজ ডেস্ক
ঝড়-বৃষ্টির বাগড়া বড্ড ভুগিয়েছে। আজতেকা স্টেডিয়ামে অপেক্ষা ফুরাচ্ছিল না। খেলাও শুরু হলো পাক্কা এক ঘণ্টা পর। কিন্তু ফল নির্ধারণ করতে মেক্সিকো সময় নিল মোটে ৩১ মিনিট। ইকুয়েডরকে বিদায় করে তাতেই শেষ ষোলোর জায়গাও পাঁকা হয়ে গেছে স্বাগতিকদের।
এর মাধ্যমে ১৯৮৬ সালের পর নকআউট পর্বে ম্যাচ জিতল মেক্সিকো। ১৯৮৬ সালে শেষ ষোলোতে বুলগেরিয়াকে হারানোর পর নকআউট পর্বে টানা সাতবার হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল মেক্সিকোর। ১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪ এবং ২০১৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর প্রতিটি ম্যাচেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। তবে এবার ভুল করেনি স্বাগতিকরা।
Manual7 Ad Code
বিশ্বকাপের শেষ ৩২ এর লড়াইয়ে আজতেকায় শুরু থেকেই দাপট দেখায় স্বাগতিক মেক্সিকো। প্রথমার্ধেই হুলিয়ান কুইনোনেস ও রাউল হিমেনেজের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হাভিয়ের আগুইরের দল। বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রেখে সহজ জয় নিশ্চিত করে তারা।
Manual7 Ad Code
এই জয়ে শেষ ষোলোতে মেক্সিকো মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গোর। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী রোববার, মেক্সিকো সিটিতেই। আজ রাত দশটায় কঙ্গোর বাধা সামলাবে ইংলিশরা।
Manual8 Ad Code
মেক্সিকো সিটিতে বজ্রঝড়ের কারণে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচের কিক-অফ এক ঘণ্টা পিছিয়ে যায়। তবে খেলা শুরু হতেই ঝড় তোলে স্বাগতিকরা। প্রথম ১০ মিনিটেই চারটি গোলের সুযোগ তৈরি করে। ইকুয়েডরের জন ইয়েবোয়া একবার পোস্টে বল মারলেও পুরো ম্যাচজুড়ে মেক্সিকোর গতিময় ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি তারা।
১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর কোনো ম্যাচে এতটা আক্রমণাত্মক সূচনা করেনি মেক্সিকো। তারই পুরস্কার আসে দ্রুত। কলম্বিয়ায় জন্ম নেওয়া উইঙ্গার হুলিয়ান কুইনোনেস বাম প্রান্ত দিয়ে ঢুকে দুর্দান্ত শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এটি ছিল টুর্নামেন্টে তার তৃতীয় গোল।
Manual4 Ad Code
কিছুক্ষণ পরই গোলদাতার ভূমিকায় থেকে সতীর্থকে দিয়ে গোল করান কুইনোনেস। ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার হোয়েল অরদোনিয়েসের ভুলের সুযোগ নিয়ে রাউল হিমেনেজ দারুণ ফিনিশে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
বিরতির পর ইকুয়েডর কিছুটা ভালো খেললেও গনসালো প্লাতার বাইরে মারা শটই ছিল তাদের সেরা সুযোগ। ফলে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি তারা। হতাশার ম্যাচের শেষটাও ভালো হয়নি ইকুয়েডরের।
যোগ করা সময়ে প্রতিপক্ষের মুখ চেপে ধরে কথা বলায় ভিএআর পর্যালোচনার পর লাল কার্ড দেখেন পিয়েরো হিনকাপিয়ে। টুর্নামেন্টে এ ধরনের ঘটনায় লাল কার্ড দেখা দ্বিতীয় খেলোয়াড় হলেন তিনি। ম্যাচের ফলও ইকুয়েডরের পক্ষে আসেনি।