বিয়ানীবাজারে ৫ আগস্ট নিহত ৩ জনের মরদেহ উত্তোলন কবে?
বিয়ানীবাজারে ৫ আগস্ট নিহত ৩ জনের মরদেহ উত্তোলন কবে?
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ২৬, ২০২৪, ০৪:১৯ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
Manual8 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
Manual6 Ad Code
বিয়ানীবাজারে ৫ আগস্ট গুলিতে নিহত ৩ জনের মরদেহ উত্তোলনের তারিখ এখনো নির্ধারণ করেনি প্রশাসন। মরদেহ উত্তোলনে আদালতের আদেশের পরও নানা জটিলতায় এখনো ময়নাতদন্তের জন্য তা প্রেরণ করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র জানায়, মরদেহ উত্তোলনে ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ সম্পন্ন না হওয়ায় সে প্রক্রিয়ায় এখনো এগুতে পারছেনা আইনশৃংখলা বাহিনী। তাছাড়া একটি মরদেহের দাফন ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় নিহতের নিজগ্রামে হওয়ায় সেখানকার জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক ব্যবস্থা নেয়া হবে। সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জকিগঞ্জ সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন জানান, মরদেহ উত্তোলনের প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুতই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুথানে তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার পর সারাদেশের ন্যায় বিয়ানীবাজারেও আনন্দ মিছিল বের করে মুক্তিকামী জনগণ। দুপুরের পর থেকে পুরো পৌরশহর লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। মূহুর্মূহু শ্লোগান আর বিজয়ের আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ জনতা।
৫ আগস্টের ঘটনাবহুল ওইদিন বিকেলে রক্তাক্ত হয়ে ওঠে বিয়ানীবাজার পৌরশহর। উশৃংখল জনতা থানা, উপজেলাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালায়। পুলিশের গুলিসহ একাধিক অস্ত্র খোয়া যায়। এ সময় গুলি ছোঁড়া হলে ঘটনাস্থলেই ৩ জন মারা যান, আহত হন আরোও অন্তত: ১০জন। এ ঘটনায় নিহত তারেক আহমদ, রায়হান আহমদ ও ময়নুল ইসলামকে ৬ আগস্ট দিনের বিভিন্ন সময়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করেন স্বজনরা।
Manual4 Ad Code
এদিকে ছেলে তারেক আহমদ নিহতের ঘটনায় ২০ আগস্ট বাদী হয়ে প্রথম মামলা দায়ের করেন তার মা ইনারুন নেসা। যদিও ২২ আগস্ট এ মামলা প্রত্যাহারে সিলেটের আমল গ্রহণকারী আদালতে আবেদন করেন তিনি। অপরদিকে একই সময়ে নিহত আরোও দুইজন রায়হান আহমদ এবং ময়নুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা বাদী হয়ে পৃথক দু’টি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পৃথক মামলায় তাদের অভিযোগ, আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে তারেক, রায়হান ও ময়নুলকে হত্যা করেছেন।
Manual5 Ad Code
এদিকে মামলাগুলো রেকর্ডকারী প্রশাসনিক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ দেব দুলাল ধর ও অকিল উদ্দিন আহমদকে বদলী করেন উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষ। তারেক হত্যা মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুরুজ্জামানকেও বদলী করা হয়েছে। বর্তমানে এই মামলা তদন্ত করছেন এসআই শাহাব উদ্দিন। অপর আরেকটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আজাদুর রহমানকে বদলী করা হয়েছে।
বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: এনামুল হক চৌধুরী জানান, তদন্তের স্বার্থে এবং যথাযথ আইনী প্রক্রিয়ার পর মরদেহ উত্তোলন করা হবে।