প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৮শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

হাজার কোটির গণভোটে কেন এত ধোঁয়াশা

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ
হাজার কোটির গণভোটে কেন এত ধোঁয়াশা

Manual1 Ad Code

 

প্রজন্ম ডেস্ক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোট।

এই গণভোট আয়োজন করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশন ব্যয় করছে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ। ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারি ও রাজনৈতিক পর্যায়ের জোরালো প্রচার চললেও, সাধারণ ভোটারদের বড় একটি অংশ এখনও জানেন না এই গণভোটে ঠিক কী বিষয়ে ভোট হচ্ছে এবং ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ জয়ী হলে তারা বাস্তবে কী পাবেন।

গণভোটের জন্য ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনকে ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে গণভোট নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রচারের জন্য নির্বাচনিব্যয় থেকে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ছয় মন্ত্রণালয়কে। এ ছাড়া সরকারের উপদেষ্টাদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিলে কী পাওয়া যাবে সেই প্রচারও চালাচ্ছে।

Manual1 Ad Code

সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচনে ভোটারদের একই সঙ্গে দুটি ব্যালট দেওয়া হবে। একটি জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট এবং অন্যটি গণভোটের। গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর করা একটি প্রশ্নেই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেবেন ভোটাররা। সাদা ব্যালট পেপারের মাধ্যমে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া যাবে। আর গোলাপি রঙের ব্যালটে জুলাই সনদের পক্ষে-বিপক্ষে ভোট দিতে হবে। বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার চালানো হচ্ছে।

Manual2 Ad Code

ব্যালটে গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর প্রশ্ন করা হবে আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কারসম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?

বিষয়গুলো হলো ১. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে। ২. আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষবিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে। ৩. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে। ৪. জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রথমে জাতীয় নির্বাচনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে দুই হাজার ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ পায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে সরকার সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট করার নির্দেশনা দিলে সে মোতাবেক অর্থ মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত বাজেটের চাহিদা পাঠানো হয়।

যার পরিপ্রেক্ষিতে ইসি ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ পেয়েছে। সব মিলিয়ে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। ইসি গণভোটের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যালট পেপার, কর্মী, যাতায়াত, খামসহ নির্বাচনিসামগ্রী বাবদ খরচ করছে। এ ছাড়া অর্থ মন্ত্রণালয়ের এনওসির পরিপ্রেক্ষিতে এলজিইডি, সাংস্কৃতিক, ধর্ম, তথ্য, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় গণভোটের পক্ষে প্রচারের জন্য ইসির বরাদ্দ থেকে ১৪০ কোটি টাকা অর্থ নিয়েছে।

এর মধ্যে গণভোটের প্রচারের জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪৬ কোটি টাকা, তথ্য মন্ত্রণালয় ৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা, ধর্ম মন্ত্রণালয় ৭ কোটি টাকা, এলজিইডি মন্ত্রণালয় ৭২ কোটি টাকা, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে।

সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালালে এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। পরে নির্বাচন কমিশন গত বৃহস্পতিবার সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এক চিঠিতে জানিয়েছে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন।

তবে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে বা ‘না’ এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে কোনোভাবে আহ্বান জানাতে পারবেন না। এর পর সরকারি বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে জনগণ কী পাবে আর ‘না’ ভোট দিলে কী পাবে সে বিষয়ে সচেতনাতামূলক প্রচার শুরু করে। তবে রোববার সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবন ও মন্ত্রণালয়ে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে লাগানো ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা গেছে।

Manual3 Ad Code

অন্যদিকে সরকারের পাশাপাশি জামায়াত ও এনসিপির পক্ষ থেকে সারা দেশে গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে প্রচার চালালেও জাপা ও বাম দলগুলো না এর পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে। তবে বিএনপি এতদিন সরাসরি হ্যাঁ-এর পক্ষে প্রচার না চালালেও কয়েক দিন আগে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি নির্বাচনি জনসভায় হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারের পরও গণভোট নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নানা সংশয় রয়েছে। তা ছাড়া চার প্রশ্নের একটি উত্তর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে।

হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা বলা হচ্ছে এবং একই সঙ্গে গণভোটের ব্যালটে চারটি বিষয় রাখা হবে। সেখানে চার বিষয়ের বাইরে অন্যগুলো ব্যালটে থাকছে না। সে কারণেই মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, গণভোটের ইস্যুগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্য কমিশনে আলোচনা করে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো তো আর সমস্ত মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না। তার পর সংবিধান অনুযায়ী গণভোট নেওয়ারই কোনো সুযোগ নেই। সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হলে এই গণভোট কতটুকু টিকবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

সরকারের সংশ্লিষ্টরা জানান, গণভোটে হ্যাঁ জয় পেলে আগামী সংসদের সংবিধান সংস্কার পরিষদ ২৭০ দিন বা ৯ মাসের মধ্যে জুলাই সনদ অনুযায়ী সাংবিধানিক সংস্কারে বাধ্য থাকবে।

বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাগে, প্রয়োজন নেই গণভোটেরও। তবে জুলাই সনদে বলা হয়েছে সংবিধান সংশোধনে সংসদের নিম্নকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ এবং উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। অন্যদিকে সংবিধানের প্রস্তাবনা৮,৪৮, ৫৬ এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনে গণভোট লাগবে।

Manual2 Ad Code

এ ছাড়া বর্তমান সংবিধানে ৭-এর ক ও খ অনুযায়ী সংবিধান রহিত করলে, সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান ছিল, জুলাই সনদে সেটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদ বর্তমান সংবিধানের মূলনীতি। গণভোটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে সংবিধানের মূলনীতি হবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সম্প্রীতি।

বর্তমান সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। জুলাই সনদে সেই অনুচ্ছেদ যুক্ত হবে সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থান ও যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।

রাষ্ট্রপতি তার নিজ ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিতে পারেন বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পর প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়াই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্য নিয়োগ করতে পারবেন রাষ্ট্রপতি। যদিও এই প্রস্তাবে ভিন্নমত ছিল বিএনপির।

রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়। জুলাই সনদে সেখানে সংসদের উভয় কক্ষের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষ দুই কক্ষের দুই-তৃতীয়াংশের ভোটে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করা যাবে। আগে সরকারের অনুমোদনে যেকোনো অপরাধীকে ক্ষমা করতে পারতেন রাষ্ট্রপতি। জুলাই সনদে বলা হয়েছে শুধু ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা পরিবার সম্মতি দিলে অপরাধীকে ক্ষমা করতে পারবেন রাষ্ট্রপতি। সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সরকারি দল থেকেই নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

গণভোটে সনদ কার্যকর হলে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন বিরোধী দল থেকে। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, সংসদে এমপিরা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়। তবে জুলাই সনদে বলা হয়েছে বাজেট ও আস্থাবিল ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে এমপিরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আলী রীয়াজ বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আসা অন্তর্বর্তী সরকার, যার প্রধান এজেন্ডা হচ্ছে সংস্কার, বিচার দৃশ্যমান করা ও নির্বাচন। এখন জুলাই সনদের মাধ্যমে সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে হবে।

তার মতে এবারের গণভোটটি হচ্ছে মূলত সাংবিধানিক গণভোট। জুলাই সনদে অনেকগুলো সংস্কার প্রস্তাব থাকলেও, গণভোট হচ্ছে কেবল সংবিধান সংস্কারসম্পর্কিত ৩০টি প্রস্তাব নিয়ে। যদিও গণভোটের ব্যালটের চারটি প্রস্তাবের শেষটিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাকি সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তারা এটি বাস্তবায়ন করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। তবে দেশের সব মানুষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। এমন প্রেক্ষাপটে জনসাধারণের মতামত নিয়ে জুলাই সনদকে আরও শক্তিশালী ভিত্তি দেয়ার লক্ষ্যেই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।

আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটে যদি ‘না’ জয়ী হয় তা হলে সবচেয়ে বড় যে সমস্যা হবে তা হচ্ছে সংবিধানসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তখন সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিজয়ী হওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। যদিও তারা অঙ্গীকারবদ্ধ এটা বাস্তবায়ন করতে। তখন কিন্তু বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতার জায়গাটা দুর্বল হয়ে যাবে।

তিনি জানান, সংবিধান সংস্কারের বাইরে থাকা আইন ও অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মধ্যে যেসব প্রস্তাব অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে করা সম্ভব, সেগুলো করা হয়েছে। সংসদ অধিবেশন শুরু হলে ৩০ দিনের মধ্যে সেগুলো আইনে পরিণত করতে হবে।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code