ফেসবুক, ইউটিউবে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি ‘বিকল্প চিকিৎসা’ কিংবা ওষুধ-পথ্যের পরামর্শ দিয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন জাহাঙ্গীর কবীর, মঞ্জুরুল কবির, তাসনিম জারা বা জয়নাল আবেদীনের মতো চিকিৎসকরা। তারা নিজেরা দাবি করেন, তাদের বিক্রি করা পণ্যের মান ভালো, গ্রাহকরাও সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট। ইতিমধ্যে দেশে এই ধরনের ‘চিকিৎসা সেবা’ ও ওষুধ-পথ্যের বাজার হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। দিন দিন এর প্রসারও বাড়ছে। এই সুযোগে ওইসব ‘জনপ্রিয়’ চিকিৎসকদের পরামর্শমূলক ভিডিও কাটছাঁট করে তাদের ‘প্রেসক্রাইব’ করা ওষুধ ও সাপ্লিমেন্ট খাবারের (পথ্য) নকল বাজারে ছাড়ছে কয়েকটি চক্র। আর ওইসব চিকিৎসকদের নামে খোলা হয়েছে অসংখ্য ভুয়া আইডি, পেইজ চ্যানেল। হাজার হাজার মানুষ প্রতারিত হচ্ছেন প্রতিদিন।
অনলাইনে ভুয়া তথ্য যাচাই করা প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তাদের অনুসন্ধানে ৫০টিরও বেশি এমন ফেসবুক পেইজ শনাক্ত হয়েছে, যেগুলো তাসনিম জারার নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন যৌন স্বাস্থ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। তাসনিম জারার পরিচয়ে ভুয়া ফেসবুক পেজ তৈরি করে তার ছবি সম্পাদনার মাধ্যমে ফটোকার্ড তৈরি করে এই বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। মেটার অ্যাড লাইব্রেরির বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রায় নিয়মিতভাবেই নতুন পেজ খুলে বা পুরনো পেজের নাম পরিবর্তন করে তাসনিম জারাকে জড়িয়ে একই ধরনের ভুয়া বিজ্ঞাপন ফেসবুকে প্রচার করা হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য ও ক্রেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে কযেকদিনের অনুসন্ধানে তাসনিম জারা ছাড়াও অন্য ‘জনপ্রিয়’ চিকিৎসকদের নামে এমন শতাধিক ভুয়া পেজ পাওয়া যায়।
স্বাস্থ্যকর্মী ও অনলাইন গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা চিকিৎসকের নামে চালানো ভুয়া পেজ থেকে অর্ডার দিয়ে টাকা দেওয়ার পর পণ্য পাননি। যারা পেয়েছেন তারা নিম্নমানের পণ্যও পেয়েছেন। প্রচারণার কৌশল হিসেবে প্রতারকরা পরিচিত চিকিৎসকদের ভিডিও বা ছবি ব্যবহার করে বিপণন করছেন, যাতে সাধারণ ক্রেতারা বিশ্বাস করে অর্ডার করেন। এক্ষেত্রে অর্ডার নিয়ে অগ্রিম অর্থও হাতিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দিচ্ছে প্রতারকরা।
Manual3 Ad Code
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য বলছে, অনলাইনে পণ্য ও সাপ্লিমেন্ট কিনে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন গ্রাহকরা। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা দীর্ঘদিন এই ভেজাল পণ্যের ব্যবসা করে আসছিলেন। এ কাজে আরও অনেকেই জড়িত বলে ধারণা পুলিশের।
নকল ওষুধ ও সাপ্লিমেন্ট চক্রে জড়িত সন্দেহে জাহিদ, তৌহিদ আলম শান্ত, রিপন, আলামিন ও শাহিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, একই উপকরণ দিয়ে অন্তত ২০-২২ ধরনের পণ্য তৈরি করত চক্রটি। তারা ভেষজ ও বিকল্প চিকিৎসার কয়েক হাজার কোটি টাকার নকল ওষুধ ও সাপ্লিমেন্টের রমরমা ব্যবসা করে। বছরে প্রায় ২০ শতাংশ হারে এই বাজারের বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার সুযোগই নিচ্ছে চক্রটি।
পুলিশ বলছে, এই প্রতারক চক্রের একজন মো. শাহিন। যিনি প্রতি মাসে ৬ থেকে ৮ টন এই পাঁচ ধরনের (আমলকী, হরীতকী, বয়রা, ত্রিফলা ও সোনা পাতা) ভেষজ মিকশ্চার পাউডার সরবরাহ করেন। আর এসব দিয়ে তৈরি হয় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী নকল ওষুধ ও সাপ্লিমেন্ট। এ সবের মধ্যে ডায়াবেটিস, পাইলস, ওজন কমানো, শক্তিবর্ধকসহ বাজারে অন্তত ২০-২২ ধরনের নকল পণ্যের সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দারা। কথিত এসব ওষুধ ও সাপ্লিমেন্টের বেশিরভাগ মোড়কেই উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘এলিট করপোরেশনের’ নাম জড়িত। এতে তাদের চট্টগ্রামের হাটহাজারী এবং কুমিল্লা সদরের বাইপাস এলাকার ঠিকানা দেওয়া আছে। কিন্তু খোঁজ নিয়ে এই নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। চক্রটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকানাও ভুয়া ব্যবহার করছে। চক্রের নেপথ্যে কারা, সেটা নিয়ে তদন্ত করছে সংশ্লিষ্টরা।
Manual3 Ad Code
সম্প্রতি কয়েকটি ফেসবুক পেজ থেকে মাকা, ব্ল্যাক মাকার মতো কয়েকটি সাপ্লিমেন্ট ক্রয় করা হয়। পরে এসব পণ্যের বিষয়ে খোঁজ নিলে সেটা নকল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য বলছে, এই চক্রে কাঁচামাল সরবরাহকারী ফেনীর শাহিন। নকল ওষুধ ও সাপ্লিমেন্ট তৈরি করে বাজারজাত প্রক্রিয়ার জড়িত মূল হোতাদের একজন চট্টগ্রামের আব্দুর রহমান মানিক ও ঢাকায় বিভিন্ন গোডাউনে রেখে সরবরাহকারী পটুয়াখালীর সোহাগ মিয়া। এ ছাড়া তাদের সহযোগী কুমিল্লার আব্দুল খালেক বিজয়, আসহাব উদ্দিন, আরিফুল ইসলাম সোহাগ, রাসেল, আনসার, আল আমিন, ইফতিসহ অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, এই চক্রটি চারটি ভাগে নকল ওষুধ ও সাপ্লিমেন্টের পুরো বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। একটি চক্র কাঁচামাল সরবরাহ করছে, দ্বিতীয় চক্র বাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্যাকেটজাত করছে, তৃতীয় চক্রটি চট্টগ্রাম থেকে মালামাল সরবরাহ ও ফেসবুকে প্রচারণায় জড়িত এবং শেষ ধাপের সদস্যরা অর্ডার কুরিয়ারের মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়। তাদের এই কার্যক্রম চলে কেরানীগঞ্জ, রাজধানীর শ্যামপুর, কদমতলী ও চকবাজার ঘিরে। আর মিরপুর ও বাড্ডা এলাকায় গুদামজাত করা হয়।
Manual7 Ad Code
প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীদের বিড়ম্বনা
সাপ্লিমেন্ট কিনে প্রতারণার শিকার মিরপুরের বাসিন্দা মায়মুনা তুবা বলেন, ডাক্তার জাহাঙ্গীরকে দেখে অনলাইন থেকে মাকা পাউডার অর্ডার করি। প্রথমে কদিন শুকনা খাওয়া হয়। কিন্তু স্বাদ খুবই বাজে। পরে ওই অনলাইন পেজে যোগাযোগ করতে গিয়ে দেখি সব মুছে ফেলেছে তারা। আর ওই পেজ খুঁজেও পাচ্ছি না। এটা দেখে একটু সন্দেহ হয়। এরপর ওটা পানিতে মিশিয়ে দেখি ভয়াবহ অবস্থা। ছানার মতো দলাদলা হয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট নিয়ে এ ধরনের প্রতারণা হতে পারে সেটা কখনো ভাবিনি। এটা মানুষের জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত। এখন ওষুধ নিয়ে যদি নকল ও প্রতারণা শুরু হয়, আমরা কোথায় যাব। ওটা খেয়ে বেশ অসুস্থ হয়ে যাই। পরে ডাক্তারের পরামর্শে সুস্থ হয়েছি।
এদিকে আরেক ভুক্তভোগী মো. সুমন বলেন, ফেসবুক পেজে ডা. জাহাঙ্গীরের চিকন হওয়ার সিøমিং জুসের আকর্ষণীয় ছাড়ে অফার চলছে বিজ্ঞাপন দেখে অর্ডার করি। কিন্তু সেটা খাওয়ার ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে পেটের মধ্যে এমন মোচড় দেয়, যে বাথরুমে দৌড় দিতে হয়। প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারিনি। পরে কয়েকবার এমন হওয়ায় সন্দেহ হয়। অর্ডার করা পেজে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা ব্লক করে দেয়। এতে প্রতারণার শিকার হয়েছি বুঝতে পারি।
সোহাগের দখলে নকল ওষুধ ও সাপ্লিমেন্টের কারবার
প্রতারক চক্রের হয়ে ঢাকার মিরপুর থেকে এসব নকল সাপ্লিমেন্ট গ্রাহকের ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতেন সোহাগ মিয়া। তিনি বলেন, স্টেডফাস্ট কুরিয়ারে চাকরি করার সুবাদে চট্টগ্রামের আব্দুর রহমান মানিকের সঙ্গে পরিচয় হয়। বাড়তি আয় করতে চাকরি ছেড়ে কমিশনের ভিত্তিতে নকল ওষুধ সরবরাহ শুরু করি। কেরানীগঞ্জ ও চট্টগ্রাম থেকে এলিট করপোরেশন তার ঠিকানায় এসব পাঠাত। কুরিয়ার সার্ভিস থেকে গ্রহণ করে মিরপুর পশ্চিম পীরেরবাগের আদর্শ আবাসিক এলাকার ৩২৭/৩ নম্বর বাসায় মজুদ করা হয়। তিনি বলেন, ভুয়া ফেসবুক পেজগুলো চট্টগ্রাম থেকে চালানো হয়। এতে প্রতিদিন অন্তত এক হাজার ডলারের বিজ্ঞাপন চালানো হয়। সারা দেশে প্রচুর পরিমাণ ডেলিভারি হয়। এই গ্রুপটি চট্টগ্রাম থেকে ইফতি, রাসেল, আশরাফ ও আনসার পরিচালনা করে বলে শুনেছি।
কাঁচামাল সরবরাহকারী শাহিনের ভাষ্য
নকল ওষুধ ও সাপ্লিমেন্টের কাঁচামাল সরবরাহকারী শাহিন বলেন, গত ৬ মাস এই লাইনে কাজ করছি। একজন ব্যবসায়ীর কাছেই শুধু কাঁচামাল পাইকারি বিক্রি করেছি। আল আমিন ও নূর আলী নামে দুজনকে মাল সংগ্রহ করে (আমার কাছ থেকে)। বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের দুই ধরনের গুঁড়া সরবরাহ করি। এর মধ্যে একটা ৭৫ টাকা ও আরেকটা ১০৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। তিনি বলেন, আমলকী, হরীতকী, বয়রা, ত্রিফলা ও সোনা পাতার গুঁড়া করে দিয়েছি। এসব দিয়ে মাকা, কাকা, ডিকেয়ার, যৌন উত্তেজক, সিøপিং জুস ও ক্লিক পাউডারসহ অনলাইনে যত ধরনের পণ্যের চাহিদা আছে, সব তারা তৈরি করে। নিজেও কিছু যৌন উত্তেজক মানুষকে সরবরাহ করেছি। প্রতিমাসে ৭-৮ টন পাউডার সরবরাহ করি। এই লাইন থেকে সরে যেতে চাই। টাকা উদ্ধার করে তাদের সঙ্গে যোগযোগ বন্ধ করে দেব।
জনপ্রিয় চিকিৎসকদের বক্তব্য
এনসিপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব এবং জনপ্রিয় চিকিৎসক ও গবেষক ডা. তাসনিম জারা বলেন, প্রতারক চক্রের কারণে সামাজিক এবং ব্যক্তিজীবনেও বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। কথিত ওষুধ ও ফুড সাপ্লিমেন্ট নিয়ে নজরদারি সরকারের নেই। ভোক্তার অধিকার রক্ষায় কার্যকরী পদক্ষেপও নেই।
এদিকে চিকিৎসক জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, ফেসবুকে তার (জাহাঙ্গীর কবীর) পাঁচটি ভেরিফায়েড পেজ ও আইডি এবং ইউটিউবে একটি চ্যানেল ছাড়া কিছু নেই। তবে তার নামে শতাধিক পেজ থেকে ভুয়া এসব বিজ্ঞাপন ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে বাড্ডা থানায় মামলা করা হয়েছে। কজন আসামি গ্রেপ্তারও আছে। আইনগতভাবে প্রতারকদের মোকাবিলা করা হবে।
যা বলছে তদন্ত কর্মকর্তা
ডাক্তার জাহাঙ্গীরের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই সুমন মিয়া বলেন, নকল ওষুধ ও সাপ্লিমেন্ট বাজারজাত করার অপরাধে বাড্ডা থানায় একটি মামলা করেন শেখ জাহাঙ্গীরের এক কর্মচারী। ওই ঘটনায় চক্রের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া উদ্ধার নকল ওষুধের আলামত ল্যাবে টেস্ট করা হচ্ছে। ওটার প্রতিবেদন পেলে বাকি কাজ শুরু হবে। মামলাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। চক্রে জড়িত সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
চিকিৎসক জাহাঙ্গীরের বিক্রি পণ্যও সরকারিভাবে নিবন্ধিত নয়, সে বিষয়ে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্তে এমন কিছু এলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Manual1 Ad Code
বিশেষজ্ঞ মত
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অফিশিয়াল পেজ শনাক্ত করতে ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই ও নির্দিষ্ট যোগাযোগ নম্বর যাচাই জরুরি বলে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ জহির রায়হান বলেন, জনপ্রিয় ব্যক্তিদের নাম, ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে যেভাবে প্রতারক চক্র অনলাইনে সরব; এতে করে ভবিষ্যতে আরও ভয়ংকর পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে। ভুয়া ফেসবুক পেজ বন্ধে বিটিআরসির কার্যকরী ভূমিকা না থাকলে এমনকি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরসহ নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো ব্যবস্থা না নিলে স্বাস্থ্য খাতে অস্থিরতা দেখা দেবে। এদিকে অনলাইনে ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট বিক্রি করতে হলে ওষুধ প্রশাসন থেকেও লাইসেন্স নিতে হয়। এসব পণ্য দেশের বাইরে থেকে নিয়ে এলেও এটার জন্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স নেওয়া জরুরি।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক আকতার হোসেন বলেন, এই ধরনের পণ্য অনলাইনে বিক্রি করতে অবশ্যই ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন লাগবে। তবে আমার জানা মতে এখনো কোনো চিকিৎসা বা ব্যক্তি আমাদের কাছে অনুমোদনের জন্য আবেদন করেনি। অবশ্যই ভুক্তভোগী অভিযোগ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।