সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
সিলেট নগরীর মিরাবাজার এলাকায় ফার্নিচার ব্যবসায়ীকে দোকান মালিক ৪৮ ঘন্টার নোটিশ দিয়ে দোকান ছাড়া করতে চান। তার একমাত্র কারণ ব্যবসার মালিক বিয়ানীবাজার উপজেলার বিএনপি সভাপতি এডভোকেট আহমদ রেজা। এ নিয়ে তিনি বুধবার দুপুরে এডভোকেট আহমদ রেজা ফেইসবুকে একটি স্টাটাস দেন যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
Manual2 Ad Code
ফেসবুক স্ট্যাটাসে আহমদ রেজা লিখেন, বিএনপি করা কি আমার অপরাধ? আমি বিএনপির কর্মী হওয়ায় আমার প্রতিষ্ঠিত ৫ বছরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যাতে আমার বিনিয়োগ প্রায় ৩ কোটি টাকা। ৪৮ ঘণ্টার লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে ভাড়াটিয়া চুক্তি নবায়ন না করে মালিক পক্ষ ষড়যন্ত্র করে আমাকে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করে যা সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে।
গত ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখে আমার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান জালালাবাদ ফার্নিচারের ব্যবসায়িক চুক্তির ৫ বছর পূর্তি হয়। মালিকের সাথে কথা ছিলো আবারো পরবর্তী ৫ বছর জন্য নবায়নের। যে ব্যাপারে ইতিমধ্যে আমাদের দুই পক্ষের ডিসেম্বরে পূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং সেই মর্মে জামানতের টাকা ও তার কাছে রাখা।
এই ব্যাপারে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ আহমদ চৌধুরী সম্পূর্ণভাবে অবগত এবং মালিক পক্ষের সাথে আলোচনাও করেন। শুধুমাত্র নতুন চুক্তিপত্র মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পরে অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারির পর আমাকে হস্তান্তর করার কথা ছিলো। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমার দোকানের মালিক সাইফুল হক বদরুলকে (গোলাপগঞ্জে যার বাড়ি) দিয়ে ৪৮ ঘণ্টার লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে যে নোটিশটি দিয়েছেন সম্পূর্ণ বেআইনী। যার কারণে আমি বাধ্য হয়ে তাৎক্ষণিক কোর্টের মাধ্যমে রেন্ট কন্ট্রোল মামলা করি এবং কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী দোকান কোঠার ভাড়া যথাসময়ে পরিশোধ করি।
Manual8 Ad Code
২৯ এপ্রিল রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাদের প্রতিনিধিসহ আমার দোকান মালিককে নিয়ে আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে একটি মিথ্যা ও বানোয়াট ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং মিথ্যা। এই ভিডিও বার্তার ব্যাপারেও আমার পক্ষ থেকে অতিসত্বর আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। আমি পেশায় একজন ব্যবসায়ী প্রায় ২৪ বছর থেকে সততার সাথে ব্যবসা করে আসছি। প্রায় ১০ বছরে থেকে আমি একজন আইনজীবীও। আমার ব্যাপারে এতো বছরে রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও সামাজিকভাবে কোনো অঙ্গন থেকেই অভিযোগ উঠেনি। কিন্তু এখন একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিকভাবে আমাকে পরাস্ত করতে না পেরে ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়েছে। ইনশাল্লাহ সত্যের জয় হবেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।