স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের এক বক্তব্যে বিয়ানীবাজারে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এখানকার উপজেলা ও পৌরসভার প্রশাসক পদে বসতে সম্ভাব্যদের মধ্যে দৌড়ঝাপও চলছে।
সম্প্রতি সিটি কর্পোরেশন, জেলা, উপজেলা ও পৌরসভায় ‘ফুল টাইম’ প্রশাসক বসানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং ভূমি উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ। তিনি বলেন, আমরা বুঝতে পারছি সাময়িক একজন প্রশাসক দিয়ে এত বড় সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ,উপজেলা পরিষদ বা পৌরসভার সেবাগুলো দেয়া সম্ভব নয়। এখানে সার্বক্ষণিক দায়িত্বে আছে, সার্বক্ষণিক কর্তব্য আছে। সেগুলো পালন করার জন্য সার্বক্ষণিক একজন প্রশাসকের প্রয়োজন। সে ব্যাপারে আমরা পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি। তার এ বক্তব্যের পর বিয়ানীবাজারে বিএনপি, জামায়াত এবং নির্দলীয় সচেতন মহলের মধ্যে আশা জেগেছে। এমন খবর জানার পর সম্ভাব্য আগ্রহীদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি ঢাকায় অবস্থান করছেন, কেউ আবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন।
Manual2 Ad Code
জানা যায়, বিয়ানীবাজার উপজেলায় প্রশাসক পদে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল, যুগ্ম সম্পাদক মামুনুর রশীদ, উপজেলা সভাপতি এড. আহমদ রেজা, সাধারণ সম্পাদক ছরওয়ার হোসেন, জামায়াতের আমীর ফয়জুল ইসলাম, সাবেক নায়েবে আমীর আবুল খায়েরের নাম দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনায় আছে। পৌরসভার প্রশাসক পদে বিয়ানীবাজার পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু নাসের পিন্টু, বর্তমান সভাপতি মিজানুর রহমান রুমেল, পৌর জামায়াতের আমীর কাজী জমির হোসাইন আলোচনায় আছেন।
তবে দলীয় বিবেচনায় না দিয়ে সরকার যদি নির্দলীয় কাউকে এসব পদে বসায় তাহলে সুশীল সমাজের অন্য কেউও এসব পদে বসতে পারেন। এক্ষেত্রে উপজেলায় সুজন সভাপতি এডভোকেট মো: আমান উদ্দিন, পৌরসভায় শিক্ষাবিদ আলী আহমদ, গত পৌরসভা নির্বাচনে ২য স্থান অর্জনকারী আব্দুস সবুর, প্রভাষক আব্দুস সামাদ, ব্যবসায়ী নজরুল হোসেনের নাম আলোচনায় আছে । তবে উপজেলা কিংবা পৌরসভার প্রশাসক পদে পৌর এলাকার কলেজ অথবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককেও দায়িত্ব পালন করতে নির্দেশনা দেয়া হতে পারে বলে একটি সূত্র আভাস দিয়েছে।
Manual2 Ad Code
এসব বিষয়ে মন্তব্য জানতে উল্লেখিতদের অনেকের সাথে যোগাযোগ করলেও কেউ প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে রাজি হননি।