প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২০শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

রাষ্ট্রপতি পদে কৌশলী অবস্থায় বিএনপি

editor
প্রকাশিত মার্চ ১৪, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি পদে কৌশলী অবস্থায় বিএনপি

Manual7 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

প্রজন্ম ডেস্ক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে দেশে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারি দলের মধ্যে এবং বিরোধী দল বিএনপি ও জনমতেও এ বিষয়ে নানা মত তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদে থাকলেও প্রশ্ন উঠেছে, তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন কি না, নাকি তাকে ইমপিচমেন্ট বা অভিশংসনের মাধ্যমে সরানো হবে।

আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট প্রয়োজন। ইতিহাসে উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০০১ সালে অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে ইমপিচমেন্টের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিএনপি এমন ঝুঁকি নিতে চাইছে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাষ্ট্রপতি পদে বসানোর জন্য বিএনপি প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের দিকে নজর দিচ্ছে। আলোচনায় থাকা প্রধান চারজন নেতা হলেন— স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুমিল্লা-১ ও ২ আসন থেকে মোট পাঁচবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং বয়স ও স্বাস্থ্যগত কারণে কিছুটা অসুস্থ। তবে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে তিনি অভিজ্ঞ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তাকে শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখেন। ড. আবদুল মঈন খান নরসিংদী-২ আসন থেকে চারবার নির্বাচিত হয়েছেন এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঢাকা-৩ আসন থেকে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির নেতা।

Manual3 Ad Code

 

রাষ্ট্রপতি নিয়োগে এখন কৌশলী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সরকারি দল চাইলে রাষ্ট্রপতি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে পারেন। তবে বিএনপি এখনই কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতি নিতে চাইছে না। সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি রাষ্ট্রপতিকে সরানোর চেষ্টা করলেও বিএনপি কৌশলী অবস্থান অবলম্বন করছে। যদি নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করা হয়, তাহলে তার মেয়াদ বর্তমান সরকারের মেয়াদের সঙ্গে মিলিয়ে পূর্ণ হবে, যা পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ও প্রভাব ফেলবে।

Manual7 Ad Code

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন যদি রাষ্ট্রপতির পদে বসতে না পারেন, তবে তাকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় সম্মানিত করা হতে পারে। একইভাবে ড. আবদুল মঈন খানকেও সমমর্যাদার পদ দেওয়া হতে পারে। ইতোমধ্যেই জাতীয় সংসদে প্রথম অধিবেশনে স্পিকার পদে মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার পদে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নির্বাচিত হয়েছেন। বেশিরভাগ সিনিয়র নেতা ইতোমধ্যেই মন্ত্রিসভায় রয়েছেন, কিন্তু ড. খন্দকার মোশাররফ, ড. আবদুল মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সরকারের বাইরে আছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনের পর পদত্যাগ করতে আগ্রহী, কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি ‘অপমানিত বোধ করেছেন’। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, আমি সরে যেতে চাই, আমি সরে যেতে আগ্রহী। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদে থাকায় আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।

Manual5 Ad Code

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code