স্টাফ রিপোর্টার:
কিশোরীর মাথায় মাথ রেখে বিয়ের শপথ করার পরেও তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করার পর আত্মগোপনে চলে যায় মৌলভীবাজারের আব্দুর রহমান (২০) নামের এক যুবক। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ছেলের পরিবারের কাছে বিচার চাইতে গেলে উল্টো কিশোরীর পরিবারকে হেনেস্তা করা হয়।
Manual6 Ad Code
এ ঘটনায় কোন উপায় না পেয়ে কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্াতন আইনে আব্দুর রহমানকে একমাত্র আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন গত ৯ নভেম্বর। এরই প্রেক্ষিতে রাব অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
Manual5 Ad Code
বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেফতার হওয়া আব্দুর রহমানকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সিলেট র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম শহীদুল ইসলাম সোহাগ।
র্যাব জানায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিকালে ভিকটিমকে বাড়িতে রেখে কাজে চলে যান তার মা। ভিকটিম নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে থাকলে বিবাদী গোপনে ভিকটিমের শয়ন ঘরের দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে ঘুম ভেঙে গেলে বিবাদীকে দেখে চিৎকার দিতে চাইলে বিবাদী ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে এবং ধর্ষণ করার জন ধস্তাধস্তি শুরু করে। এক পর্ায়ে ভিকটিমকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভিকটিম কান্নাকাটি করতে থাকলে বিবাদী ভিকটিমের মাথায় হাত রেখে শপথ করে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর অনুরোধ করলে ভিকটিম ঘটনাটি গোপন রাখে।
Manual3 Ad Code
বিবাদী এভাবে মিথ্যা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের শারিরীক অবস্থার পরিবর্তন দেখে ভিকটিমের মা তাকে জিজ্ঞাসা করলে ভিকটিম ঘটনার বিস্তারিত জানা।
Manual4 Ad Code
অতঃপর ভিকটিম অন্তঃ ̄সত্ত্বা হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ভিকটিমের মা বিবাদীর পিতাকে বিস্তারিত জানিয়ে ভিকটিমকে বিয়ে করে সামাজিক ভাবে তাদের বাড়িতে উঠিয়ে নিতে বললে বিবাদীর পিতা ভিকটিমের গর্ভের সন্তান তার ছেলের নয় বলে গালমন্দ করে এবং গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন চাপ সৃষ্টি করে ।