এডভোকের্ট মো: আমান উদ্দিন:
সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার পৌরসভার “এ” গ্রেড ভুক্ত। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বর্তমানে নেই। প্রশাসক কর্তৃক বিশৃংখল ও অব্যবস্থাপনাকে দূর করে কতিপয় যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের কারনে সাধারন মানুষ কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।
Manual2 Ad Code
যেমনঃ ** বিয়ানীবাজার উপজেলা পয়েন্ট থেকে ফতেহপুর হায়দরশাহ হাফিজিয়া মাদ্রাসা রাস্তার মানসম্পূর্ন কাজের মাধ্যমে বাস্তবায়ন, ** শহিদ টিলা থেকে সুপাতলা রাস্তার পয়েন্ট পর্যন্ত যত্রতত্র রাস্তায় ভেনগাড়ী দিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে রাস্তার উপর ব্যবসা সফলতার সাথে উচ্ছেদকরন ** নিজের ব্যবসায়িক দোকান ইচ্চামত বর্ধিতকরনকে নিজস্ব প্রশাসন দিয়ে উচ্ছেদকরনসহ নানাবিধ উন্নতি সাধন কল্পে জনদুর্ভোগ লাগব করিতে সক্ষম হইয়াছেন, সেজন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। এসব বাস্তবায়ন কিন্তু নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দ্বারা সম্ভব নহে। কারন বাজার ব্যবস্থাপনা বিশৃংখলা সৃষ্টি কারীরা কোন বিশেষ মহল আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন। এই সফলতা ধরে রাখার জন্য নিয়মিত তদারকি “টিম ওযার্কের” দ্বারা প্রশাসনকে অবহিত করনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
পৌরশহরকে জানঝট মুক্ত রাখতে কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরছিঃ
১ম প্রস্তাব: শহিদ টিলা থেকে সুপাতলা পয়েন্ট পর্যন্ত সড়কও জনপদের রাস্তাটির উভয় পাশ দিয়ে অন্তত ৩ কি.মি. সাধারন লোকজনের চলাচলের জন্য ওয়াক ওয়ে ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি।
২য় প্রস্তাব: কলেজ রোড (বি.জি.বি সাইনবোর্ড) হইতে দাসগ্রাম ইউসুফ কমপ্লেক্স পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশ দিয়ে ওয়াক ওয়েব ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
৩য় প্রস্তাব: রাস্তার মধ্যে কোথাও গাড়ি পাকিং করা যাবে না। যদি একান্ত জরুরি প্রয়োজনে গাড়ি পাকিং এর প্রয়োজন হয়, তাহলে ১ ঘন্টা রাখতে চাইলে টমটম ১০০, সি.এন.জি ৫০০, কোষ্টার ২০০০, লেগুনা ১০০০, ইত্যাদি হারে টাকা প্রশাসক কর্তৃক অনুমোদিত রশিদ বহি তাহার নিয়োগকৃত দায়িত্বশীল অফিসারের নিকট দিবেন। রশিদ বহি বা কাহার সাথে কোন অনিয়ম যাহাতে না হয় কর্তৃপক্ষ তাহাকে গোয়েন্দা নজর দারীতে রাখতে হবে।
Manual6 Ad Code
৪র্থ প্রস্তাব: জানঝট মুক্ত রাস্তা হয়ে গেলে দুর্ঘটনা, সময়, পৌরসভা নির্ধারিত স্থান থেকে আর কোথাও ইচ্ছা ফুটপাত দখল করার প্রবনতা এমনিতে-ই কমে যাবে। সকলকে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহন বাধ্যতামূলক করতে হবে।
৫ম প্রস্তাব: জেলা পরিষদের পুকুর এর চতুর পাশ দিয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার করে সাধারন জনগনের বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। আর এসব কাজ সম্পাদন করা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দ্বারা সম্ভব নহে। কারন বাজারে ব্যবসায়ীদের অধিকাংশ একে অপরের আত্মীয়। সুতরাং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি চাইলেও এসব কাজ করা সম্ভব নহে। সুতরাং বর্তমান পৌর প্রশাসক (ইউএনও) চাইলে অল্প দিনে বাস্তবায়ন করতে পারবেন। আর এসব কাজ বাস্তবায়ন করে কর্তৃপক্ষ পৌরবাসীর নিকট হয়ত কর্মগুনে বেঁচে থাকার সুযোগ এখনই।