প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

সিন্ডিকেটে অস্থির বিয়ানীবাজার!

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৮:২২ পূর্বাহ্ণ
সিন্ডিকেটে অস্থির বিয়ানীবাজার!

Manual8 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual8 Ad Code

রোজা শুরুর পূর্ব থেকেই বিয়ানীবাজারে সিন্ডিকেটের কবলে পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজার। সমানতালে বেড়েছে সকলপণ্যের মূল্য। পেঁয়াজ, ছোলা, ডাল, রসুন, সয়াবিন তেল, চিনি, শসা, বেগুন, খেজুর, লেবুসহ নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি পণ্য কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন বিয়ানীবাজারের সাধারণ ক্রেতা।

সূত্র জানায়, বিয়ানীবাজার পৌরশহরে মাত্র দু’জন ব্যক্তি পাইকারি তরকারি বিক্রি করে থাকেন। তাদের মন-মানষিকতার উপর এখানকার তরকারি পণ্যের দাম নির্ধারিত হয়। এছাড়াও পেঁয়াজ, আলু, চাল, ডাল, চিনি, ছোলা ব্যবসার পাইকারি মূল্য নিয়ন্ত্রণ করেন মাত্র চারজন ব্যবসায়ী। তাদেরকে পাশ কাটিয়ে বাজারের পণ্যমূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব হয়না। মূলত: এই ৭-৮জন ব্যবসায়ীর কাছে জিম্মী বিয়ানীবাজারের ভোক্তারা। একইভাবে সয়াবিন তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করেন আরোও ২ জন বড় ব্যবসায়ী। চালের বাজার নিয়ন্ত্রিত হয় এক ব্যবসায়ীর ইশারায়। ব্যবসায়ীদের এই সিন্ডিকেট নিজেদের মত করে মেমো তৈরী করেন। পাইকারি বাজারে পণ্য সরবরাহ করেন।

বিয়ানীবাজারে মানভেদে ৩ প্রকারের খেজুরের দাম বেড়েছে। দাবাস খেজুর ৫ কেজি ওজনের প্রতি কাটুন ২ হাজার ৬০০ টাকায় এবং জিহাদি খেজুর ১০ কেজি ওজনের এক কাটুন ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। গত সপ্তাহে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করেন তারা। বস্তা খেজুর ২২০ টাকায় বিক্রি হলেও গত সপ্তাহে তা ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়।

Manual4 Ad Code

এ ছাড়া খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৬০-৬৫ টাকায়। ১০০ টাকার প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ২০০ টাকায়। সবচেয়ে দাম বেড়েছে শসা ও লেবুর দাম। কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে শসা কেজিপ্রতি ১০০-১২০ টাকায় এবং প্রতি পিস লেবু বিক্রি হয় ২০-২৫ টাকায়।

Manual8 Ad Code

ক্রেতারা বলেন, রোজার শুরুতে নিত্যপণ্যের দোকানে ক্রেতার ভিড় বেড়েছে। রোজার প্রস্তুতি হিসেবে ভোক্তারা অতিরিক্ত কিছু পণ্য কেনেন। এই সুযোগে অনেক সময় বাজারে সংকট দেখা দেয়। মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দামে পণ্য বিক্রি শুরু করেছে।

এদিকে সিলেট-বিয়ানীবাজার সড়কের পাশ ঘেঁষা বৈরাগীবাজারের ত্রিমুখিতে দুপুরে বাজার বসে। সরেজমিন পরিদর্শনে এই বাজারে তরকারির দাম কিছুটা কম দেখা গেছে।

 

ব্যবসায়ী সিদ্দিক জানান, পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমানে ৫৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, যা গত কয়েক দিন আগেও ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দাম আরও বাড়তে পারে। তিনি বলেন, রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকা বেড়ে ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

খুচরা বিক্রেতা ইমরান বলেন, ‘রোজা আসতেই কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ, বেগুন, লেবুর দাম বেড়েছে। বাজারে মনিটরিং না থাকায় পুরোনো সিন্ডিকেট আবার মাথাচাড়া দিয়েছে। বর্তমানে কেজিতে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বেশি হিসেবে কাঁচামরিচ ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুনের দাম বেড়েছে। লেবু প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকায়। এটি ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করছে।

বাজার মনিটরিং নিয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, শনিবারও বাজারে অভিযান চালানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীকে সতর্ক করা হয়েছে। আমাদের এমন অভিযান নিয়মিত চলবে।

 

আবার ভোক্তাদের অভিযোগ, এসব অভিযান লোক দেখানো। প্রশাসন কঠোর হলে পণ্যমূল্য নিয়ে এরকম অরাজকতা বন্ধ হতো।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code