বেওয়ারিশ কুকুর বেশুমার দাবড়ে বেড়াচেছ শহরের অলিগলি। স্বাভাবিকভাবে কেউ যেন চলাচল করতে পারছে না এসব কুকুরের যন্ত্রনায়।
দেখা গেছে, এবার বেওয়ারিশ কুকুর অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। এতে বিঘœ ঘটছে লোকজনের চলাচলের। ভোর ৬ টা থেকে সকাল ১০-১১টা পর্যন্ত আবার রাত ৯টার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুকুরের উপদ্রব বেশী। দল বেঁধে কুকুরগুলো অপরিচিতদের দেখলেই আক্রমণ করতে আসে।
বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরের কামড়ে প্রতিদিন চিকিৎসা নেন গড়ে ২-৩ জন। নিয়ন্ত্রণহীনভাবে কুকুরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সমস্যা বেড়েছে বলে অভিযোগ উপজেলাবাসীর। কুকুরের নিয়ন্ত্রণ এবং কামড় থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করার ব্যাপারে কার্যকর কোনও উদ্যোগ নেই পৌরসভাসহ ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষের।
Manual2 Ad Code
সম্প্রতি পৌরশহরের দাসগ্রামে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে পাঁচজন আহত হন। আহত এক মহিলা জানান, বেওয়ারিশ কুকুরের দুপুর থেকেই এলাকায় সাধারণ মানুষের দিকে তেড়ে যাওয়াসহ কামড়ানো শুরু করে। তাৎক্ষনিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন তিনি।
জাতিসংঘের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সহযোগিতায় ‘জাতীয় জলাতঙ্ক নির্মূল কর্মসূচি’ এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিয়ানীবাজার উপজেলায় কুকুরের সংখ্যা ৩ হাজার ৭৭৮টি। হিসাব মতে, পৌর শহরের প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ২৫টি কুকুর রয়েছে।
এক সময় পৌরসভা কুকুর নিধন করলেও বর্তমানে সেটি আইনে নিষিদ্ধ। জলাতঙ্ক নির্মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ১০ বছরে তিন রাউন্ড টিকার আওতায় বিয়ানীবাজারের মাত্র শতাধিক কুকুরকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
Manual8 Ad Code
এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার পৌরসভার মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিকুঞ্জ ব্যানার্জি বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব কোনও ব্যবস্থাপনা না থাকলেও কুকুর নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চলমান।’