ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত বেড়ে ৬৯
ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত বেড়ে ৬৯
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ১, ২০২৫, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ণ
Manual5 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে ৬.৯ মাত্রা শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯ জনে। এতে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বুধবার (১ অক্টোবর) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সেবু দ্বীপের হাসপাতালগুলিতে আহত রোগীরা ভিড় জমাচ্ছেন। সেখান বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
Manual4 Ad Code
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরি জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ৫৯ মিনিটে সেবু দ্বীপের উত্তর প্রান্তে বোগো এলাকার কাছে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
Manual8 Ad Code
শক্তিশালী ওই ভূমিকম্পের পর আরও কয়েক দফা আফটারশক অনুভূত হয়েছে। ফলে আরও ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কায় লোকজনকে বিভিন্ন ভবন থেকে বের করে আনা হয়েছে।
সিভিল ডিফেন্স অফিসের ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর রাফায়েলিতো আলেজান্দ্রো বলেন, এখন পর্যন্ত ৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আমরা বহু হতাহতের খবর পাচ্ছি।
Manual7 Ad Code
বোগো এবং সেবু ছাড়াও একাধিক শহর ও পৌরসভায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। ভূমিকম্পের ফলে এসব শহরের বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ও বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভূমিকম্পের পর সেবু প্রদেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এরই অংশ হিসেবে সেখানকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস বন্ধ রাখা হয়েছে।
বিবিসি বলছে, সান রেমিজিও পৌরসভাতেও জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। শহরের একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে ধ্বংসস্তূপের নিচে কয়েকজন আটকা পড়ায় উদ্ধার অভিযান চলছে।
এদিকে, ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করে ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অব ভলকানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজি। সংস্থাটি জানায়, সমুদ্রপৃষ্ঠে সামান্য পরিবর্তন হলেও এর প্রভাব কেটে গেছে।
টেডি ফন্টিলাস (৫৬) নামের এক উদ্ধারকারী বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, তিনি এক পলকের জন্যও ঘুমাননি। তিনি আরও বলেন, উপচে পড়া ভিড়ের কারণে কিছু রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হয়েছে।
গুরুতর আহত রোগীদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা কর্মীরা হাসপাতালের বাইরেও অনেকের চিকিৎসা করছেন। সেবুর প্রাদেশিক গভর্নর পামেলা বারিকুয়াত্রো তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।
প্রাদেশিক উদ্ধার কর্মকর্তা উইলসন রামোস এএফপিকে বলেন, ধসে পড়া ভবনের নিচে বহু মানুষ আটকা থাকতে পারেন। অন্ধকার ছাড়াও আফটারশকের কারণে রাতভর উদ্ধার প্রচেষ্টা ব্যাহত হয়েছে।