হবিগঞ্জে ভুয়া জামিন নামা দিয়ে কারাগার থেকে বের হয়ে যাওয়া দুই আসামী গ্রেফতার
হবিগঞ্জে ভুয়া জামিন নামা দিয়ে কারাগার থেকে বের হয়ে যাওয়া দুই আসামী গ্রেফতার
editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৫, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
Manual7 Ad Code
হবিগঞ্জ সংবাদদাতা:
হবিগঞ্জে ভূয়া জামিন নামা দিয়ে কারাগার থেকে বের হয়ে যাওয়া পলাতক দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতার হওয়া দুই আসামীকে আদালতের মাধ্যমে ফের কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
তারা হল- সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ থানার পাগলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের সজলু মিয়ার পুত্র আজাদ মিয়া ও একই থানার লেবু মিয়ার পুত্র সোয়েব মিয়া। এর আগে ৫ জানুয়ারি শান্তিগঞ্জ থানা এলাকায় দিনভর অভিযান পরিচালনা করা হয়।
Manual3 Ad Code
বিষয়টি নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার (ওসি) আলমগীর কবির।
তিনি বলেন- এ ঘটনায় পলাতক আরো দুইজনসহ জড়িত অন্যান্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কারাগাও থেকে বের হয়ে যাওয়া পলাতক অন্য দুই মাদক কারবারি হল- সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার শিমুলগঞ্জ গ্রামের আব্দুল কদ্দুছ মিয়ার পুত্র রুয়েল মিয়া, একই উপজেলার কিরণ মিয়ার পুত্র আলী হোসেন।
Manual2 Ad Code
জানা যায়- গত ৬ জানুয়ারি জেলার মাধবপুরে ৩৫ কেজি গাজাসহ র্যাবের হাতে ধরা পড়ে উল্লেখিত ৪ মাদক কারবারি। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। যার মামলা নং জিআর ১০/২৫। মাদক কারবারিদের আইনজীবি এডভোকেট ফয়সল আদালতে বেশ কয়েকবার তাদের জামিন আবেদন প্রার্থনা করেন। কিন্তু আদালত তাদেরকে জামিন দেননি।
Manual2 Ad Code
সবশেষে গত ২৬ জানুয়ারিও তাদের জামিন আবদেন করা হয়। কিন্তু হঠাৎ করে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) তারা জামিনে বের হয়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে (৩০ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার এডভোকেট ফয়সল আদালতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি নিশ্চিত হন তার আসামিরা ভূয়া জামিন নামা তৈরী করে জিআরও অফিসের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। পরে সেখান থেকে তারা ছাড় পেয়ে পালিয়ে যায়।
পরে তাৎক্ষণিক এ ঘটনায় জিআরও’র সহযোগী হোসাইন মোঃ আরিফ (২৫)কে আটক করা হয়। সে আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি আমল আদালত-৬ এর জিআরও এএসআই মো. মীর কাশেম বাদি হয়ে আরিফকে প্রধান করে আরও ৬ জনের নাম উল্লেখ করে জালিয়াতির অভিযোগে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।